২০২১ সাল

চট্টগ্রাম বন্দরে সাধারন পণ্য উঠানামায় প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

19 May, 2022

Views

 

সবসময় মাতামাতি হয় কন্টেইনার উঠানামা নিয়ে। কত বেশি কন্টেইনার উঠানামা হলো সেই রেকর্ডের ভিত্তিতে বিশ্বের সেরা বন্দরের তালিকা হয়। সেখানে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান নিয়ে হয় ব্যাপক আলোচনা। কিন্তু কন্টেইনারবাহি পণ্যের বাইরে সাধারন পণ্য উঠানামা নিয়ে অত মাথাব্যাথা কারোরই দেখা যায় না।

কন্টেইনারবাহি জাহাজ কত দ্রুত জেটিতে নামল সেটি নিয়ে বেশ গবেষণা চলে, তৎপর থাকে পরিবহন বিভাগ। কিন্তু সাধারন পণ্যবাহি একটি জাহাজ বাড়তি সময় জেটিতে আসার জন্য বহির্নোঙরে অপেক্ষমান থাকলে সেটি নিয়ে অত উচ্চবাচ্য থাকে না।

চট্টগ্রাম বন্দরে ২০২১ সালে সাধারন পণ্য উঠানামায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ শতাংশ; আর কন্টেইনার পণ্য উঠানামা হয়েছে ১৩ শতাংশ। এথেকে বোঝা যায় চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার পণ্যের চেয়ে সাধারন পণ্যের উঠানামা হয় বেশি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলছেন, কন্টেইনারবাহি পণ্য আনার প্রতি ঝোঁক বেশি থাকায় সেদিকে নজর থাকে এটা ঠিক। তবে সাধারন পণ্যবাহি জাহাজ ভিড়াতে আমাদের বিশেষ নজর দিচ্ছি। লালদিয়া টার্মিনালকে আমরা সাধারন পণ্য উঠানামার জন্য নির্ধারন করেছিলাম। কিন্ত শেষপর্যন্ত সেটি আমরা নির্মান করছি না। এখন বে টার্মিনালেই সব বাল্ক জাহাজ ভিড়ার সুযোগ দেয়া হবে। আমরা সেই লক্ষ নিয়েই এগুচ্ছি।

জানা গেছে, ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে সাধারন পণ্য উঠানামা হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। ২০২০ সালে উঠানামা হয়েছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার টন। ২০২১ সালে উঠানামা হয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার টন। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দরে সাধারন পণ্য উঠানামার জেটি আছে ৬টি; আর কন্টেইনার উঠানামার মুল জেটি আছে ৬টি। এর বাইরে এনসিটিতে ৪টি, সিসিটতে দুটি জেটি আছে। কন্টেইনার উঠানামার জন্য পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। কিন্তু বন্দরের প্রধান ৬টি জেটির বাইরে স্বাধীনতার পর নতুন কোন সাধারন জেটি নির্মিত হয়নি চট্টগ্রাম বন্দরে। ফলে সাধারন বা খোলা পণ্য যারা আমদানি করেন তাদের দুর্দশার শেষ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.