১৫ মাস পর বসছে চট্টগ্রাম বন্দর উপদেষ্টা কমিটির সভা

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

5 December, 2021 0 Views

0

বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বন্দর উপদেষ্টা কমিটির সভা বসছে আগামী ২০ ডিসেম্বর।নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক তিন মাস পর একটি করে সভা অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও সেটি মানা হচ্ছে না। সর্বশেষ উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ১৪ তম সভা অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও নৌ প্রতিমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেটি স্থগিত হয়ে যায়। এখন ১৫ মাস পর বসছে এই সভা।

মুলত চট্টগ্রাম বিষয়ক সমস্যা এবং বন্দর কেন্দ্রিক জটিলতা নিরসন-সমন্বয় সাধন করা এবং বন্দরের গতিশীলতা অক্ষু্ন্ন রাখতে এই উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কমিটির কলেবর এত বড় যে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বদলে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আলোচনা হয় বেশি। ফলে কমিটির সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় খুবই কম।
বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেনতিনমাস পরপর এই বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও কভিড-১৯ মহামারির কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। আগামী ২০ ডিসেম্বর বন্দর উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আমরা দুই ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিস্থিতি বুঝে বৈঠকে স্বশরীরে অংশ নেবেন নাকি জুম অ্যাপসের মাধ্যমে নিবেন সেটি পরে সিদ্ধান্ত হবে।

জানা গেছে, ৬০ সদস্যের বন্দর উপদেষ্টা কমিটিতে নৌপরিবহন মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী সভাপতি এবং বন্দর চেয়ারম্যান সদস্য সচিব। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত আসনের দুই মহিলা সংসদ সদস্য, সিটি মেয়র, সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি কমিটিতে সদস্য হিসাবে রয়েছেন।

২০১০ সালের অক্টোবর মাসে কমিটির প্রথম সভা হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত ছিল, তিন মাস পর কমিটি বৈঠকে বসে সংকট চিহ্নিত এবং সুরাহায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। কন্টেনার হ্যান্ডলিংসহ বন্দরের সার্বিক কার্যক্রমে গতি আনার ক্ষেত্রে এই কমিটি পরামর্শ দেবে। এসব পরামর্শ কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে তাও এই কমিটি মনিটরিং করবে। উৎসাহ এবং আশা নিয়ে কমিটির কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তীতে সবকিছু ঝিমিয়ে পড়ে।গত দশ বছরে ৪০টি সভা হওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে ১৩টি।

২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা কমিটির ১৩তম সভা হয়। নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বন্দর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বে টার্মিনাল, পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল, বন্দরের কন্টেনার জট, নিলামযোগ্য কন্টেনার দ্রুত স্থানান্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে বন্দর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বেশ কিছু সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। এগুলোর মধ্যে ছিল বে-টার্মিনালকে সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব প্রেরণ, বে-টার্মিনালে ডেলিভারি ইয়ার্ড স্থাপন, নিলামযোগ্য পণ্য ও কন্টেনার নিলামের জন্য ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া, সপ্তাহের প্রতিদিন ডেলিভারি অর্ডার পাওয়া নিশ্চিত করা, আইসিডি ও অফডক সিটি কর্পোরেশনের ২০ কিলোমিটারের বাইরে এক বছরের মধ্যে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া, কর্ণফুলীর দুই তীরে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানকে ইজারা না দেয়া, পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল ২০২১ সালের মধ্যে চালু করা, সীতাকুণ্ডে পোর্ট স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম দ্রুততর করা, ক্যাপিটাল ড্রেজিং সম্পন্ন করা, যানজট নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়েছিল। এসব সিদ্ধান্ত ও সুপারিশের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *