সাড়ে ১৮ হাজার টন সরকারী চাল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ‘এমভি কেরেম’

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

18 October, 2021 0 Views

0

বিশেষ প্রতিনিধি

সরকারী চাল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ভিড়েছে জাহাজ ‘এমভি কেরেম’। জাহাজটিে সাড়ে ১৮ হাজার টন সরকারী চাল রয়েছে; আনা হয়েছে ভারতের হলদিয়া বন্দর থেকে। প্রথম দফায় ৫০ হাজার টন সরকারী চাল কেনা চুক্তির এটি তৃতীয় চালান।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর ৪ হাজার ৩শ টন নিয়ে ‘সেঁজুতি’ জাহাজ প্রথমবার এবং দ্বিতীয় চালানে গত ৬ জানুয়ারি একই জাহাজে ৫ হাজার ১শ টন নিয়ে বন্দর জেটিতে ভিড়েছিল। উক্ত দুটি জাহাজে মোট ৯ হাজার ৬শ টন সরকারী চাল আনলেও এবার আসলো একসাথে সাড়ে ১৮ হাজার টন নিয়ে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের চলাচল সংরক্ষন নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান আবু নাঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম শিপিং এক্সপ্রেসকে বলছেন, ‘১৮ হাজার ৫শ টন চাল নিয়ে বন্দর জেটিতে ভিড়েছে ‘এমভি কেরেম’; বুধবার রাত থেকেই জাহাজ থেকে পণ্য নামানো চলছে।

তিনি বলেন, আমরা এখনো প্রথম প্যাকেজের ৫০ হাজার টন চুক্তির মধ্যে তিনটি জাহাজে ২৮ হাজার ৫শ টন পেয়েছি। এবারের জাহাজে চালের পরিমান বেশি। এর আগে ছোট জাহাজে চাল সরবরাহ দেয়া হয়েছিল। চুক্তির ৪০ দিনের মধ্যে চাল সরবরাহের শর্ত রয়েছে; নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরবরাহ দিতে না পারলে ব্যবস্থা নিবে খাদ্য মন্ত্রনালয়। আমরা শুধু বন্দরে আসা চাল সংগ্রহ করে গুদামে সরবরাহ দিই।

জানা গেছে, সরকারী উদ্যোগে তিন লাখ টন চাল আমদানি করা হচ্ছে। এরমধ্যে প্রথম দফায় গত ২ ডিসেম্বর ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের ‘এমএস পিকে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড’ এই চাল সরবরাহ দেয়। সেই প্যাকেজের মধ্যে গত ২৩ ডিসেম্বর এসেছিল প্রথম জাহাজ। এরইমধ্যে প্রায় একমাস পার হয়ে গেছে কিন্তু চাল এসেছে সাড়ে ২৮ হাজার টন।

দেরিতে চাল আসার কারণ হিসেবে দুটি কারণের কথা বলছেন জাহাজ সরবরাহকারীরা। জানতে চাইলে এমএসটি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ক্যাপ্টেন শেখ শাহিখুল ইসলাম বলছেন, ভারতীয় সরবরাহকারীরা কলকাতা বন্দর থেকে চাল বোঝাই করার কারণে একসাথে বেশি চাল সরবরাহ নেয়া যাচ্ছে না। কারণ কলকাতা বন্দরের প্রবেশ পথে নাব্যতা সংকটের কারণে বড় জাহাজ প্রবেশ করা যাচ্ছে না। হলদিয়া থেকে বড় জাহাজে আনতে চাইলেও ভাড়া বেশি হওয়ার কারণে তারা রাজি হচ্ছে না। ফলে চাল সরবরাহ দেরি হয়েছে একটু। আমরা বলেছি কলকাতার বদলে ভারতের অন্য যেকােন বন্দর থেকে চাল সরবরাহ দিতে। তাইলে দ্রুত চাল আনা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *