সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে ভাড়া নির্ধারন করে দিচ্ছে ভারত

0
884

বিশেষ প্রতিনিধি
সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে ভাড়া নির্ধারনের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত সরকার। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সেই দেশের শিপিং মন্ত্রনালয় একটি  মার্চেন্ট বিল আনছে সংসদে। সেই বিল পাশ হলে ভারতে কর্মরত সব শিপিং লাইন এবং শিপিং এজেন্টগুলোর ভাড়া ঠিক করে দেয়া যাবে। আমদানি, রপ্তানি এবং আভ্যন্তরীন পণ্য পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া যাবে; লেভি, সারচার্জ বিভিন্ন নামে বাড়তি বিল আদায় করা যাবে না। একইসাথে বিদেশি শিপিং লাইন এবং এজেন্টদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনা সহজ হবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চায় বন্দর ব্যবহারকারীরা।

ভারত সরকারের শিপিং মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, শিপিং লাইন এবং এজেন্টদের মাশুল ঘোষনা দিবেন তারা নিজেরাই। আমরা তদারকি করবো সেটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে  কিনা। মুলত বিদেশি শিপিং লাইনগুলো একটি মাশুল ঘোষণা দেয় কিন্তু বিভিন্ন নামে লেভি সারচার্জ আদায় করে। এরফলে পণ্য পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের সোজা কথা, মাশুল যা নিবে তা ‘অল ইনক্লোসিভ’ হতে হবে।হিডেন কোন মাশুল থাকতে পারবে না।

তবে ভারতে কর্মরত বিদেশি শিপিং লাইন এবং এজেন্টরা এর বিরোধিতা করছেন। ভারতের কন্টেইনার শিপিং লাইন এসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক সুনীল ভাসানি বলছেন, মাশুল নির্ধারিত হয় দুপক্ষ অর্থ্যাৎ গ্রাহক এবং শিপিং লাইনের সমঝোতার ভিত্তিতে। এখানে সরকার ভাড়া নির্ধারন করে দেয়ার যৌক্তিকতা নেই।  এটা কার্যকর করলে এই শিল্পে অস্থিরতা তৈরী হবে।

তবে ভারতের আমদানি-রপ্তানিকারক এবং বন্দর ব্যবহারকারীরা এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী বলছেন। চেম্বার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলছেন, শিপিং লাইন যত ভাড়াই নিক সেটা ঘোষিত হবে এবং কোন হিডেন চার্জ নেয়া যাবে না। এটি কার্যকর করা গেলে পণ্য পরিবহনে ব্যয় অনেক কমে যাবে। একইসাথে প্রতিযোগিতামূলক  একটি ভাড়া দিতে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করবে শিপিং লাইনগুলাে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here