মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি দুটোই বেড়েছে

0
1142

বিশেষ প্রতিনিধি
গেল মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি দুটোই বেড়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে আমদানি বেড়েছে; একইসাথে রপ্তানিও বেড়েছে। শুধু তাই নয় ২০১৯ সালের মার্চ মাস এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসের চেয়েও চলতি ২০২১ সালের মার্চে পণ্য পরিবহনে গতি বেড়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, কভিড ধাক্কা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি গতি পেয়েছে। কিন্তু কভিড সনাক্ত এবং মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহে চলতি সপ্তাহ থেকে লকডাউন দেয়ায় পণ্য পরিবহনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, আমদানি-রপ্তানির এই গতি আগামীতে অব্যাহত থাকবে। কভিড-১৯ মহামারির ব্যাপক ধকল কাটিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য উঠানামা জানুয়ারি মাস থেকেই পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। অনেক ক্ষেত্রে কভিড পূর্ব সময়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে ফিরেছে পণ্য উঠানামা। ফলে পণ্য আসা-যাওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
আমদানির গতি খুব বেশি না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করেছেন সদ্য নির্বাচিত বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসােসিয়েশন পরিচালক মুনতাসির রুবাইয়াত। তিনি বলছেন, আমদানি কমেছে এটা বলা যাবে না। বিপুল আমদানি পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরগুলোতে আটকে আছে। সেখানে জাহাজজটের কারণে সেগুলো যথাসময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে পারেনি; এখনো পারছে না। জাহাজের শিডিউল ঠিক থাকলে আমদানি অনেক বেশি বাড়তো। এপ্রিলে আমদানি বাড়লেও সেই জাহাজট থাকবে।
রপ্তানির আরো বেশি হতো উল্লেখ করে মুনতাসির রুবাইয়াত বলছেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর থেকে বড় জাহাজ বা মাদারভ্যাসেলে পণ্য সঠিকভাবে তোলা যায়নি। সেই সাথে সুয়েজ খালের জাহাজদুর্ঘটনার কারণে বিলম্বিত হওয়ার বিষয় ছিল।  আমদানি-রপ্তানি এপ্রিলে আরো বাড়বে সন্দেহ নেই; তবে কতটা বাড়বে নির্ভর করছে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে জাহাজজট কতটা কমে তার ওপর।
পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত জাহাজের মেইন লাইন অপারেটরদের হিসাবে, সর্বশেষ মার্চে আমদানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার এসেছে ১ লাখ ১৭ হাজার একক। আর রপ্তানি ছিল ৬০ হাজার ৮৫২ একক। ফেব্রুয়ারিতে আমদানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার এসেছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৭শ একক; আর রপ্তানি ছিল ৫৭ হাজার ৮৫৪ একক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here