বে টার্মিনালে ডিসেম্বরে জেটি নির্মান শুরু!

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

30 June, 2022

Views

পতেঙ্গা সমুদ্রতীরে প্রস্তাবিত বে টার্মিনাল তিনটি অংশে নির্মানকাজ হবে। এরমধ্যে একটি হবে চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থে এবং পরিচালনায়। অপর দুটি অংশ নির্মিত হবে পিপিপি ভিত্তিতে আর পরিচালিত হবে বিদেশি বন্দর পরিচালনায় অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান দিয়ে। এরই মধ্যে বন্দর অংশের জেটি নির্মানকাজ আগামী ডিসেম্বরের পরই শুরুর আশা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান।
কিন্তু বাস্তবে এটি কতটা সত্যি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা প্রতীকি মূল্যে বে টার্মিনালের অবশিষ্ট ভূমির বরাদ্দ চাই। এজন্য ইতিমধ্যে একটি পত্র আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই এবিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা আসবে।
এছাড়া বে টার্মিনালের ভৌতিক কাজ দেখা না গেলেও পরিকল্পনা কাজ দ্রুত চলছে। পরিকল্পনার কাজটি চোখে দেখা যায় না। কিন্ত পরিকল্পনা করেই সামনে এগুতে হয়। আমরা এখন সেই কাজটি শেষ করছি।

এদিকে চট্টগ্রামে ‘বে-টার্মিনাল নির্মাণ’ পিপিপি প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যৌথভাবে কাজটি পেয়েছে কোরিয়ার কুনওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসালটিং কোম্পানি লিমিটেড এবং ডিয়েনইয়াং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। এতে মোট ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৯৮৬ টাকা।

কিন্তু মেগা প্রকল্প বে-টার্মিনালের জন্য প্রস্তাবিত ৮০৩ একর ভূমি গত ছয় মাসেও বুঝে পায়নি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের পক্ষ থেকে দফায় দফায় চিঠি দেওয়ার পরও সরকারি এই খাসজমি বুঝিয়ে দিতে পারেনি জেলা প্রশাসন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু ও শেষ হতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে।
রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান বলছেন, ইতোমধ্যে বে টার্মিনালের ভূমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হয়েছে। ডিটেইল ড্রইং ডিজাইন তৈরীর জন্য বিদেশি কনসালটেন্ট নিয়োগ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি ডিপিপি তৈরী করে জমা দিবে। এরপর মন্ত্রনালয় অনুমোদন পেলেই আমরা জেটি নির্মান কাজ শুরু করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.