বিপদজনক রাসায়নিক না সরানোয় চারগুণ জরিমানা আদায় শুরু

0
342

বিশেষ প্রতিনিধি

বিপদজনক রাসায়নিক না সরানোয় আজ ১ এপ্রিল থেকে চারগুণ জরিমানা আদায় শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর ইয়ার্ডে পড়ে থাকা এসব পণ্য সরাতে এক সপ্তাহ আগে নোটিশ দিয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ; কিন্তু তাতে খুব একটা সাড়া মিলেনি। এই অবস্থায় বন্দরকে ঝুঁকিমুক্ত করতে এই পদক্ষেপ কার্যকর করেছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা শিপিং এক্সপ্রেসকে বলছেন, বিপদজনক রাসায়নিক না সরানোর মুল উদ্দেশ্যই ছিল বন্দরকে ঝুঁকিমুক্ত করা কিন্তু তাতে সাড়া মিলেনি। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা চারগুন জরিমানা আরোপ শুরু করেছি।

তিনি বলছেন, এসব আমদানি পণ্য বন্দরে এনে ফেলে রাখার সুযোগ নেই। পণ্য ছাড় নিতে বিস্ফোরক দপ্তর, নৌ দপ্তরের অনুমোদন লাগে। কিন্তু এর জন্য চারদিন সময় যথেষ্ট। অযথা এসব পণ্য ফেলে রেখে বন্দরকে ঝুঁকিতে রাখার সুযোগ তো আমরা কাউকে দিত পারি না।

বন্দর জানিয়েছে, এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বন্দরের ইয়ার্ডে ১৫ বছর ধরে পড়ে থাকা ৪৮ হাজার ৮৭০ কেজি বিপদজনক রাসায়নিক সুনামগঞ্জে এক সিমেন্ট কারখানায় নিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। মুলত লেবাননের রাজধানী বৈরুতের সমুদ্রবন্দরে পড়ে থাকা বিপদজনক রাসায়নিকের বিস্ফোরনের পর চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৫ বছরের পুরোনো বন্দরের পি শেডে পড়েছিল। তালিকা ধরে সেগুলো প্রথমে নিলামে তোলা হয় কিন্তু নিলামে তেমন সাড়া না পাওয়ায় সেগুলো ধ্বংস করে কাস্টমস। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই পণ্য সরানোর এই উদ্যোগ বন্দরের।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য নামার পর ইয়ার্ডে সর্বোচ্চ চারদিন বিনামাশুলে পণ্য রাখা যায়। এরপর থেকে ধাপে ধাপে পণ্য রাখার মাশুল দিতে হয়। বিপদজনক রাসায়নিক পণ্যের ক্ষেত্রে নিয়মও একই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here