বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে পণ্য পরিবহন বেড়েছে ২০ শতাংশ

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

25 September, 2022

Views

বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে পণ্য পরিবহন ক্রমাগতই বাড়ছে ২০ শতাংশ। সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে দুদেশের মধ্যে সাড়ে ৪৭ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে; যা ২০০১ সালের পর সর্বোচ্চ রেকর্ড। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আনতে এই নৌপথ ব্যবহার করায় পরিবহন ক্রমাগত বাড়ছে।

অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানির পরিমাণ ছিল ২৬ লাখ ২৪ হাজার টনের বেশি।২০১৭-১৮ সালে আমদানি-রফতানির পরিমাণ ছিল ২৭ লাখ টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ২৪ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানি-রফতানির পরিমাণ ছিল ২৭ লাখ ৮০ হাজার টনের বেশি।২০২০-২১ অর্থবছরে পরিবহনের পরিমাণ ছিল ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টন। আর সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে সাড়ে ৪৭ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে।
সী কম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বলছেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ অনেক কম। ফলে যেভাবে সাড়া পাওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি এখনো। আশা করছি করোনা ধাক্কা কাটিয়ে আগামী দিনে এই রুটে দুদেশের পণ্যপরিবহনে ভালো সুফল মিলবে।

উল্লেখ্য, নৌ বাণিজ্যের জন্য ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড (পিআইডব্লিউটিটি) চলমান রয়েছে। ২০০০ সালের আগ পর্যন্ত শুধু ভারতীয় জাহাজের মাধ্যমে পণ্য আনা-নেয়া করা যেত। ২০০০ সালের পর এ কাজে বাংলাদেশের জাহাজও সম্পৃক্ত হয়। প্রটোকল অনুযায়ী যদিও আমদানি-রফতানিতে দুই দেশের সমানসংখ্যক জাহাজ ব্যবহার হওয়ার কথা।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নৌপথে ভারত থেকে এক সময় শুধু সিমেন্টের কাঁচামাল ফ্লাই অ্যাশ আমদানি হতো। এখন তার পাশাপাশি চাল, গম, ভুট্টার মতো শস্য, স্টিলের উপকরণ ইত্যাদিও নৌপথের মাধ্যমে আমদানি হয়। এছাড়া ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি বেড়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের ১০টি সুনির্দিষ্ট নৌপথ দিয়ে এসব জাহাজ চলাচল করে। দুই দেশের মধ্যে উপকূলীয় নৌচলাচল শুরু হওয়ায় পণ্য পরিবহনের সময় ৭ থেকে ১০ দিনে নেমে এসেছে। এতে পরিবহন ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.