ধর্মঘট প্রত্যাহারের পরও ২২১ রপ্তানি কন্টেইনার ফেলে গেল তিন জাহাজ

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

20 January, 2022 16 Views

16

পণ্য পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার হয়েছে গত সোমবার রাতে; আর মঙ্গলবার সকাল থেকেই স্বাভাবিক হতে শুরু করে দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। বন্দর ইয়ার্ডে আটকে পড়া আমদানি পণ্য ডেলিভারি নেয়া শুরু হয় সকাল থেকেই। কারখানা থেকে রপ্তানি পণ্য বেসরকারী কন্টেইনার ডিপোতে নেয়া শুরু হয়। আর প্রস্তুত হওয়া রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরনের জন্য বন্দর জেটিতে নেয়া হচ্ছে। সবকিছুই সচল হয়েছে এরপরও মঙ্গলবার দুপুরে বন্দর ছেড়ে যাওয়া অন্তত তিনটি জাহাজে রপ্তানি পণ্য তোলা যায়নি। এর পরিমান ২২১ একক কন্টেইনার।

এরমধ্যে, এসওএল হিন্দ জাহাজে ১২০ একক কন্টেইনার, কোটা বিস্তারি জাহাজে ৫০ একক এবং এসপিএম ব্যাংকক জাহাজে ৫১ একক রপ্তানি কন্টেইনার জেটিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে বন্দর টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের চীফ অপারেটিং অফিসার ক্যাপ্টেন তানভীর হোসাইন বলছেন, দুপুরে তিনটি জাহাজ বন্দর ছেড়েছে। দুদিনের স্থলে চারদিন জেটিতে অপেক্ষা করেছে এসব জাহাজ। শেষ পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহার হয়েছে ঠিকই কিন্তু নির্ধারিত সমযের মধ্যে বুকিং থাকা রপ্তানি কন্টেইনার জাহাজে তোলা সম্ভব হয়নি। ফলে এসব কন্টেইনার রেখেই জাহাজ জেটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। আশা করছি মঙ্গলবার থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

জানা গেছে, ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে পণ্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতি। এরফলে পণ্য পরিবহনে স্থবিরতা নেমে আসে। আমদানি পণ্য বন্দর থেকে ডেলিভারি বন্ধ হয়ে যায়। রপ্তানি পণ্য জাহাজে তুলতে না পারায় বুকিং থাকা সেই পণ্য না নিয়েই জাহাজ বন্দর ছেড়ে যায়।

গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, এই ধরনের অর্থনীতি ধ্বংসকারী ধর্মঘটের কারণে আমরা নভেম্বর মাসে ৪ বিলিয়ন রপ্তানির লক্ষমাত্রা অর্জন ব্যাহত হবে। এই ধরনের হটকারি ধর্মঘট আইন করেই বন্ধ করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *