জাহাজ ভিড়াতেও নতুন রেকর্ড চট্টগ্রাম বন্দরের

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

5 December, 2021 1 Views

1

বিশেষ প্রতিনিধি
শুধুমাত্র কন্টেইনার উঠানামা নয়; জেটিতে জাহাজ ভিড়াতেও নতুন রেকর্ড গড়েছে দেশের প্রধান চট্টগ্রাম বন্দর। কভিড মহামারির মধ্যেই অনন্য রেকর্ড গড়লো আমদানি-রপ্তানি পণ্য উঠানামার ৯২ শতাংশ সম্পাদনকারী এই বন্দর।
বন্দরের হিসাবে, সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে জেটিতে জাহাজ ভিড়েছে ৪০৬২টি। এর আগের অর্থবছর ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাহাজ ভিড়েছে ৩ হাজার ৭৬৪টি। একবছরেই জাহাজ আসা বেড়েছে ২৯৮টি। প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। এর আগের কয়েক বছর জাহাজ আসার তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে প্রতি বছর জাহাজ আসা বেড়েছে মাত্র ৩৫ থেকে ৬৫টি। বন্দরের হিসাবে, সবচে বেশি পণ্যবাহি জাহাজ জেটিতে ভিড়েছে ২০২১ সালের এপ্রিলে ৩৯৬টি। আর সবচে কম এসেছে ২০২০ সালের আগস্টে ২৭১টি।
চট্টগ্রাম বন্দরে তিন ধরণের জাহাজ পণ্য নিয়ে জেটিতে ভিড়ে। একটি হচ্ছে, কন্টেইনার জাহাজ, দ্বিতীয় বাল্ক বা খোলা পণ্যবাহি জাহাজ, তৃতীয়ত তেল বাহি ট্যাংকার জাহাজ।
কভিড মহামারির কঠিন সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩১ লাখ একক কন্টেইনার উঠানামার অনন্য রেকর্ড করেছে। আগের অর্থবছরের হিসাবে কন্টেইনার উঠানামার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। গত অর্থবছর মোট কন্টেইনার ওঠানামা হয়েছে ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ২৩৬ একক। এর মধ্যে আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ছিল ১৬ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩০ একক এবং রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ১৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯০৬ একক। আগের অর্থবছরের চেয়ে বিদায়ী অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে । এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছর পণ্য উঠানামা হয়েছিল ৩০ লাখ ৪ হাজার ১৪২ একক কন্টেইনার।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, বৈশ্বিক কভিড মহামারির নেতিবাচক প্রভাব পৃথিবীর অন্যান্য বন্দরের মতো পড়েছে আমাদের  চট্টগ্রাম বন্দরেও। কিন্তু দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম; এক মুহুর্তের জন্য বন্ধ থাকেনি দেশের আমদানি-রপ্তানির এই গেইটওয়ে। ফলে এই করোনার মধ্যেও গতি হারায়নি চট্টগ্রাম বন্দর। কর্তৃপক্ষ, ব্যবহারকারীসহ অনেকগুলো সংস্থা বন্দরের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবার আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রয়াসে বৈশ্বিক বিপর্যয়ের মধ্যেও বন্দর এগিয়েছে। আগের বছরের ধাক্কা কাটিয়ে কম সময়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *