চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিপদজনক পণ্য না সরালে ১ এপ্রিল থেকে চারগুণ মাশুল

0
597

বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বন্দরের ভিতর ইয়ার্ডে পড়ে থাকা বিপদজনক এবং রাসায়নিক পণ্য দ্রুত সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এজন্য আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে বন্দর; এরইমধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ১ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত মাশুলের চারগুন হারে জরিমানা আরোপের হুমকি দিয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বন্দরের ইয়ার্ডে ১৫ বছর ধরে পড়ে থাকা ৪৮ হাজার ৮৭০ কেজি বিপদজনক রাসায়নিক সুনামগঞ্জে এক সিমেন্ট কারখানায় নিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। মুলত লেবাননের রাজধানী বৈরুতের সমুদ্রবন্দরে পড়ে থাকা বিপদজনক রাসায়নিকের বিস্ফোরনের পর চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৫ বছরের পুরোনো বন্দরের পি শেডে পড়েছিল। তালিকা ধরে সেগুলো প্রথমে নিলামে তোলা হয় কিন্তু নিলামে তেমন সাড়া না পাওয়ায় সেগুলো ধ্বংস করে কাস্টমস। এরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম শিপিং এক্সপ্রেসকে বলছেন, বন্দরকে ঝুঁকিমুক্ত রাখা এবং বন্দরের পরিচালন কার্যক্রমকে নিয়মিত সচল রাখতেই এই উদ্যোগ। পুরণো রাসায়নিক ইতোমধ্যে কাস্টমসের মাধ্যমে আমরা ধ্বংস করেছি। নতুন করে যাতে এই ধরনের পণ্য জমে না থাকে সেজন্যই এই উদ্যোগ।

জাান গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য নামার পর ইয়ার্ডে সর্বোচ্চ চারদিন বিনামাশুলে পণ্য রাখা যায়। এরপর থেকে ধাপে ধাপে পণ্য রাখার মাশুল দিতে হয়। বিপদজনক রাসায়নিক পণ্যের ক্ষেত্রে নিয়ম একই। ৩১ মার্চের মধ্যে এসব পণ্য দ্রুত সরবরাহ না নিলে ১ এপ্রিল থেকে চারগুণ মাশুল গুনতে হবে আমদানিকারকদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here