চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ডে জোয়ারের পানি; ক্ষয়ক্ষতি নেই

বিশেষ প্রতিনিধি
ঘুর্ণিঝড় ইয়াস এবং জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের ভিতর পণ্য রাখার ইয়ার্ডের অনেকস্থানে পানি জমেছে। এতে কন্টেইনারভর্তি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও বন্দরের ভিতর একস্থান থেকে অন্যস্থানে পণ্য স্থানান্তর কাজে ব্যঘাত ঘটে।

এমনিতেই বিরুপ আবহাওয়ার এবং বৃষ্টির কারণে বুধবার সকাল থেকেই বন্দরের ভিতর পণ্য উঠানামা ব্যাঘাত হচ্ছিল। এরসাথে জোয়ারের পানি ইয়ার্ডে চলে আসায় জটিলতা আরো বাড়ে। তবে বড় ধরনের জটিলতা তৈরীর আগেই জোয়ারের উচ্চতা কমে আসায় বুধবার দুপুর

পৌণে ২টার দিকে পানি নেমে যায়।আর আগে বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ বন্দরের চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনালের রেফার ইউনিট, নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল, আইসিডি ইউনিট, ওভার ফ্লো ইয়ার্ডসহ ৪ নম্বর গেটের সড়কে পানি উঠে যায়। ।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলছেন, ঘুর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ৫টি টিম গঠন করে একদিন আগে থেকেই কাজ করছে। আমরা সার্বক্ষনিক তদারকি করছি। সতর্ক সংকেত না কমা পর্যন্ত নজরদারিতে আছি। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বন্দর ইয়ার্ডে কিছু এলাকায় পানি জমেছে। জোয়ার কমার সাথে সাথে সেই পানি নেমে গেছে।
তিনি বলছেন, ঘুর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ চলাচল এবং পণ্য উঠানামা পুরোপুরি স্বাভাবিক ছিল। এর আগে মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে বড় জাহাজকে সরিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া কর্ণফূলী নদী বিক্ষিপ্তভাবে থাকা লাইটার জাহাজকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঘুর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোবাবিলায় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বন্দরের আউটার থেকে বড় জাহাজকে মহেশখালী-কক্সবাজার গভীরসমুদ্রের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া কর্ণফূলী থেকে লাইটার জাহাজকে সরিয়ে কালুরঘাট-কর্ণফূলী পুরাতন ব্রিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *