চট্টগ্রাম বন্দরে ফেব্রুয়ারি মাসে আমদানি-রপ্তানি আগের দুই বছরের চেয়ে বেশি

Dhaka Post Desk

বিশেষ প্রতিনিধি

19 October, 2021 0 Views

0

বিশেষ প্রতিনিধি

কভিড ধকল কাটিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমদানি ও রপ্তানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার আসা-যাওয়া দুটোই বেড়েছে। গত ২০১৯ ও ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি। জাহাজের মেইন লাইন অপারেটর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, আমদানি-রপ্তানির এই গতি আগামীতে অব্যাহত থাকবে। কভিড-১৯ মহামারির ব্যাপক ধকল কাটিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য উঠানামা পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। অনেক ক্ষেত্রে কভিড পূর্ব সময়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে ফিরেছে পণ্য উঠানামা। ফলে পণ্য আসা-যাওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

জাহাজের মেইন লাইন অপারেটরদের হিসাবে, সর্বশেষ ফেব্রুয়ারিতে আমদানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার এসেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭শ একক। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার একক, আর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে কভিড ধাক্কা শুরুর আগে আমদানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার এসেছিল ১ লাখ ৮ হাজার একক। অর্থ্যাৎ ২০২০ সালের তুলনায় আমদানি বেড়েছে ৮ হাজার একক কন্টেইনার।

জানতে চাইলে বিদেশি জাহাজ পরিচালনকারী জিবিএক্স লজিস্টিকস লিমিটেডের অ্যাসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মুনতাসির রুবাইয়াত বলছেন, কভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে উঠে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য উঠানামা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে বছরের শুরুতেই। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি তারই প্রতিফলন। রপ্তানির এই গতি আগামীতে অব্যাহত থাকবে; কারণ আমাদের কাছে প্রচুর বুকিং আছে। আর এমনিতেই মার্চে রপ্তানি একটু কম থাকে। এরপর বাড়তি থাকতো কিন্তু বন্দরে সামান্য জটের কারণে রপ্তানির গতি আগামীতে একটু উঠানামা করলেও বেশ হেরফের হবে না।

তিনি বলছেন, আর আমদানি তো বাড়তেই থাকবে; কারণ সামনে রমজান, এরপর বাজেট। ফলে জুন পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকবে কোন সন্দেহ নেই।

এদিকে রপ্তানি পণ্যভর্তি কন্টেইনার যাওয়া বেড়েছে সর্বশেষ ফেব্রুয়ারিতে। সেই মাসে রপ্তানি হয়েছে ৫৭ হাজার ৮৫৪ একক। আর ২০১৯ সালে হয়েছিল ৫৫ হাজার ৩৯৪ একক; ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৫৪ হাজার ৮৫৬ একক কন্টেইনার। ফলে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি বেড়েছে ৩ হাজার একক কন্টেইনার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *