চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৯ টন বিপদজনক রাসায়নিক সুনামগঞ্জে গিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে

0
1045

বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বন্দর পড়ে থাকা ৪৯ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক সিলেটের সুনামগঞ্জে গিয়ে ধ্বংস করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। এসব রাসায়নিক বন্দরের পি শেড দখল করে পড়েছিল গত ১৫ বছর। দীর্ঘদিন পড়ে থাকার পরও সেগুলো ধ্বংস বা সরিয়ে ফেলার কোন উদ্যোগ নেয়নি বন্দর কিংবা কাস্টমস। কিন্তু গত আগস্টে লেবাননের বৈরুত বন্দরের ভিতর পড়ে থাকা রাসায়নিক বিস্ফোরনের পর বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটলে টনক নড়ে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের। এর প্রেক্ষিতে সেগুলো ধ্বংসের কাজ শুরু হচ্ছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার ফয়সাল বিন রহমান শিপিং এক্সপ্রেসকে বলছেন, ৪৮ হাজার ৮৭০ কেজি বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংস করার জন্য আজ বুধবার সকালে তিনটি কাভার্ডভ্যানে সিলেটের সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ওই রাসায়নিকগুলো আগামী ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস করা হবে। সেদিন কাস্টমসের পণ্য ধ্বংস করার কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলছেন, মুলত এই ধরনের বিপদজনক রাসায়নিক ধ্বংসের সক্ষমতা-অভিজ্ঞতা রয়েছে সিলেটের লাফার্জ হলসিম সিমেন্ট কোম্পানির। তাই চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সেগুলো সেখানে নেয়া হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, মুলত বৈরুত বিস্ফোরনের পর বন্দরে পড়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকা করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৫ বছরের পুরোনো ৪৮ হাজার ৮৭০ কেজি  বিপদজনক রাসায়নিক  বন্দরের পি শেডে পড়েছিল। তালিকা ধরে সেগুলো প্রথমে নিলামে তোলা হয় কিন্তু নিলামে তেমন সাড়া না পাওয়ায় সেগুলো ধ্বংসের উদ্যোগ নেয় কাস্টমস। যে কোন ধরনের বিপদজনক রাসায়নিক পণ্য ধ্বংস করার জন্য  পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছ থেকে ধ্বংসের অনুমতি নেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরপর সেগুলো পরিবশের ক্ষতি না করেই ধ্বংস করার উদ্যাগ নেয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলছেন, দ্রুত এসব রাসায়নিক সরিয়ে নেয়া আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমরা সেটি করতে সক্ষম হয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here